“মায়ের গর্ভে জীব–আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার সংলাপ”
এই ধারণাটি শাস্ত্রে বহুবার উল্লেখ হয়েছে। একে বলা হয় গর্ভোপনিষদ-এর তত্ত্ব, আবার শ্রীমদ্ভাগবত, কৌষীতকি উপনিষদ, কঠ উপনিষদেও তার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। নিচে সুন্দরভাবে, সূত্র-সহ দিলাম—
মাতৃগর্ভে জীবাত্মা–পরমাত্মার সংলাপ:
(শাস্ত্রীয় বর্ণনা + রেফারেন্স)
১️. শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণে (স্কন্ধ ৩, অধ্যায় ৩১)
এখানে স্পষ্ট বর্ণনা আছে যে গর্ভে অবস্থানকারী জীব পূর্বজন্মের সমস্ত পাপ–পুণ্যের স্মৃতি ফিরে পেয়ে ঈশ্বরকে প্রার্থনা করে এবং ঈশ্বর তাকে জ্ঞান–বোধ দেন।
মূল তত্ত্ব (সংক্ষেপে):
জীব গর্ভের অন্ধকারে আটকে থাকলে পরমেশ্বরকে স্মরণ করে।
জীব বলে— “হে প্রভু, আমাকে উদ্ধার করুন। জন্মালে আপনার ভক্ত হব।”
পরমাত্মা তার হৃদয়ে জ্ঞান প্রবাহিত করেন।
শ্রীমদ্ভাগবত থেকে শ্লোক
“গর্ভস্থো দশ মাসানিন্তঃ
পূর্বজন্মস্মৃতি লভতে।”
(স্কন্ধ ৩, অধ্যায় ৩১, শ্লোক–৭)
অর্থ: গর্ভে ১০ মাস অবস্থানকালে জীব তার পূর্বজন্মের স্মৃতি লাভ করে।
২️. গর্ভোপনিষদ (Garbhopanishad)
এটি একটি অত্যন্ত প্রাচীন উপনিষদ, যেখানে গর্ভে আত্মার অবস্থা, দেহগঠন, ও জীব–পরমাত্মার সংলাপ বিশদে বর্ণিত।
উপনিষদের বক্তব্য
জীব গর্ভে প্রবেশ করে নিজের কর্মফল অনুসারে।
তখন পরমাত্মা জীবকে তার কর্ম, দেহ, সময়, জন্ম ইত্যাদির জ্ঞান দেন।
জীব প্রতিজ্ঞা করে—
“জন্মের পর ধর্ম পালন করব।”
উদ্ধৃতি
“গর্ভস্থো জীবঃ ব্রহ্মণং প্রার্থয়তে।”
অর্থ: গর্ভস্থিত জীব ব্রহ্ম (পরমাত্মা)-কে প্রার্থনা করে।
৩️. কঠ উপনিষদ (Katha Upanishad 2.2.7)
এখানে মাতৃগর্ভকে “দেহরূপ অন্ধকারের গুহা” বলা হয়েছে যেখানে পরমাত্মা জীবের সাথে অবস্থান করেন।
শ্লোক
“এষ সರ್ವভূতান्तरাত্মা গুহায়াং নিশিতং।”
অর্থ: পরমাত্মা সকল জীবের অন্তরে গুহার মতো অঙ্গের ভেতরে প্রতিষ্ঠিত।
এই “গুহা” বলতে মায়ের গর্ভকেও বোঝানো হয়।
৪️. কৌষীতকি উপনিষদ (3.3)
এখানে বলা হয়েছে— জন্ম–মৃত্যুর চক্রে পরমাত্মা জীবকে স্মরণ করিয়ে দেন তার পথ, কর্ম, এবং করণীয়।
সংক্ষেপে মূল ধারণা:
মাতৃগর্ভে জীব ও ঈশ্বরের সংলাপ — শাস্ত্রীয় সত্য
জীব গর্ভে প্রবেশ করলে তার পূর্বজন্মের পাপ–পুণ্যের স্মৃতি ফেরে।
সেই অবস্থায় সে ঈশ্বরকে স্মরণ করে, মুক্তির জন্য প্রার্থনা করে।
ঈশ্বর তার হৃদয়ে শিক্ষাদান করেন—
“ধর্ম পালন কর, আমাকে স্মরণ কর, জন্মের পর ন্যায় পথে চল।”
কিন্তু জন্ম হওয়া মাত্র মায়া (Illusion) তাকে সব ভুলিয়ে দেয়।
অনুভবমূলক বর্ণনা (শাস্ত্র-অনুযায়ী):
মায়ের পেটের গভীর অন্ধকারে জীব–আত্মা একা নয়।
তার সঙ্গে থাকে পরমাত্মা—শ্রীভগবান,
যিনি মৃদু কণ্ঠে বলেন—
“হে প্রিয় আত্মা, ভয় কোরো না।
তুমিই আমার অংশ।
জন্মের পর আমাকেই স্মরণ কোরো।”
জীব কাঁদতে কাঁদতে প্রতিজ্ঞা করে—
“হে নাথ, জন্মালে আপন ভৃত্য হব।”
এটাই সেই গর্ভবাসী সংলাপ—
যা হাজার বছর ধরে উপনিষদ–পুরাণে বর্ণিত।
Kush Mukherjee
রাশি ভিত্তিক নামের আদ্যক্ষর
সিংহ রাশি
মা, মী, মূ, মে, মো,
টা, টী, টূ, টে
কন্যা রাশি
টো, পা, পী, পূ, ষ,
ণ, ঠ, পে, পো
তুলা রাশি
রা, রী, রূ, রে, রো,
তা, তী, তূ, তে
বৃশ্চিক রাশি
তো, না, নী, নূ, নে,
নো, য়া, য়ী, য়ূ
কুমারী পূজা -: বয়সের ক্রমানুসারে পূজাকালে দেবী কুমারীকে বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়।
১) এক বছরের কন্যা -- সন্ধ্যা
২) দুই বছরের কন্যা -- সরস্বতী
৩) তিন বছরের কন্যা -- ত্রিধামূর্তি
৪) চার বছরের কন্যা -- কালিকা
৫) পাঁচ বছরের কন্যা -- সুভগা
৬) ছয় বছরের কন্যা -- উমা
৭) সাত বছরের কন্যা -- মালিনী
৮) আট বছরের কন্যা - কুণ্ঠিকা
৯) নয় বছরের কন্যা -- কালসন্দর্ভা
১০) দশ বছরের কন্যা -- অপরাজিতা
১১) এগারো বছরের কন্যা - রুদ্রাণী
১২) বারো বছরের কন্যা -- ভৈরবী
১৩) তেরো বছরের কন্যা -- মহালক্ষ্মী
১৪) চৌদ্দ বছরের কন্যা - পীঠনায়িকা
১৫) পনেরো বছরের কন্যা -- ক্ষেত্রজ্ঞা
১৬) ষোলো বছরের কন্যা -- অন্নদা বা অম্বিকা
এই ষোড়শ মাতৃকা রূপে দেবী পূজিতা হন।
পিতৃদোষ কী?
হিন্দু জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, পিতৃদোষ বা পিত্র দোষ হলো পূর্বপুরুষদের অসমাপ্ত কাজ বা তাঁদের প্রতি করা কোনো অন্যায়ের ফলে সৃষ্ট একটি ঋণ, যা পরবর্তী প্রজন্মের ওপর প্রভাব ফেলে। এই দোষের কারণে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন ধরনের বাধার সম্মুখীন হন।
পিতৃদোষের লক্ষণ
আর্থিক সমস্যা: পরিবারে অর্থের অভাব দেখা দিতে পারে বা আর্থিক সংকট লেগে থাকে।
অসুস্থতা: পরিবারের কোনো সদস্য বা অনেকেই ক্রমাগত অসুস্থ থাকতে পারেন।
দাম্পত্য জীবনে সমস্যা: বিবাহিত জীবনে ঝগড়া বা অশান্তি দেখা দেয়।
সন্তান সংক্রান্ত সমস্যা: সন্তান না হওয়া, সন্তান বিপথগামী হওয়া, অথবা সন্তানের থেকে কোনো সম্মান বা শ্রদ্ধা না পাওয়া ইত্যাদি হতে পারে।
পারিবারিক অশান্তি: পরিবারে সর্বদা একটি অশুভ ও অশান্তির পরিবেশ বিরাজ করে।
ব্যবসায়িক ক্ষতি: ব্যবসায় ক্ষতি বা পদে পদে বাধার সম্মুখীন হওয়া।
য়াহু গ্রহকে খুশি করার উপায়
১) কালো রঙের ব্যবহার কমিয়ে দিন
২) যেকোনো মন্দিরের ছোটখাটো বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করে দিন।
৩) বুধবারের দিন কোন ধোপা কাপড় কাচলে তাকে সাদা মিষ্টি দান করুন রাহু থেকে প্রতিকার পাবেন।
৪) স্নান করার সময় দুই থেকে তিন ফোটার কপূর দিয়ে স্নান করুন।
৫) শনিবারের দিন কোন ধর্ম স্থানে নীল! রং এর কোনো জিনিস দান করুন।
৬) রাহুর থেকে বাঁচার জন্য সাদা জামা বেশি পরিধান করুন।
শনি দেব কে?।।শনিদেবের জন্মপরিচয়।
শনি দেবতা কে ছিলেন?
নবগ্রহের একটি অন্যতম গ্রহ, শনি গ্রহকে গ্রহরাজ-ও বলা হয়ে থাকে। শনি হিন্দুধর্ম মতে একজন দেবতা। শনি উগ্র দেবতা হিসেবে পরিচিত । জ্যোতিষীদের মতে শনির বক্রদৃষ্টির ফলে যে ভালো কাজ করে তার ভালো হয় আর সে মন্দ কাজ করে তাদের সেরূপ শাস্তি হয়। শনি গ্রহ ও সপ্তাহের শনিবার দিনটি শনিদেবের নামে নামকরণ করা হয়। শনিদেব কে শনিশ্চর বা শনৈশ্চর(যিনি আস্তে চলেন) নামেও ডাকা হয়।
পরিচিতি
শনি সনাতন হিন্দু ধর্মের একজন দেবতা যিনি সূর্যদেব ও তার পত্নী ছায়াদেবীর (সূর্যদেবের স্ত্রী ও দেব বিশ্বকর্মার কন্যা দেবী সংজ্ঞার ছায়া থেকে সৃষ্ট দেবী ছায়া) পুত্র, এজন্য তাকে ছায়াপুত্র-ও বলা হয়।শনিদেব, মৃত্যু ও ন্যায় বিচারের দেবতা যমদেব বা ধর্মরাজ ও পবিত্র শ্রী যমুনা দেবীর অনুজ ভ্রাতা।
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ মতে একদিন শনির ধ্যানের সময়, তার স্ত্রী দেবী ধামিনী সুন্দর বেশভূষা নিয়ে তার সামনে এলে ধ্যানমগ্ন শনিদেব সেদিকে খেয়াল না করাতে পত্নী ধামিনী বা মন্দা শনিদেবকে অভিশাপ দিলেন, আমার দিকে তুমি ফিরেও চাইলে না! এরপর থেকে যার দিকে চাইবে, সে-ই ভস্ম হয়ে যাবে! কোনো কোনো মতে মনে করা হয় যে এটি মঙ্গলদোষের প্রভাবে হয়েছে। মধ্যযুগীয় গ্রন্থ মতে শনি হলেন একজন দেবতা, যিনি দুর্ভাগ্যের অশুভ বাহক হিসেবে বিবেচিত হন। কিন্তু তা প্রকৃতপক্ষে সত্য নয়। শনি ভালোর জন্য ভালো আর খারাপের জন্য খারাপ। তিনি খুব ধৈর্যশীল। উল্লেখ্য,কর্মফল দিতে গিয়ে তিনি অনেকের রোষানলে পড়লেও কখনোই সত্যের পথ থেকে তিনি বিচ্যুত হননি।
মন্দির এবং তীর্থস্থান সমূহ
ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে এবং বাংলাদেশের হিন্দু অধ্যুষিত অঞ্চলে শনিদেবের ছোটবড় মন্দির দেখা যায়, এবং সেখানে প্রতি সপ্তাহে শনিবার শনিদেবের সাপ্তাহিক পূজার্চনা হয়ে থাকে। এছাড়াও সারা ভারতে বেশকিছু বড় বড় শনি মন্দির ও তীর্থস্থান উল্লেখযোগ্য, যেমন তিরুনাল্লার শ্রী শনিশ্চর কোইল ,দেওনার-এর শনি দেবালয়ম, মহারাষ্ট্রের শনি-সিঙ্গাপুর মন্দির, তিতওয়ালার শনি মন্দির, মাদুরাই এর নিকটে কুচানুর-এর শনি মন্দির। এছাড়াও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পলাশপুরে শনিদেবের আখড়া,প্রত্নসম্পদ ও মন্দির আছে।
শনিদেবের ব্রত
শনিদেব সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা যতই ভয়ভীতিমিশ্রিত হোক না কেন, মৎস্য পুরাণ কিন্তু শনিদেবকে লোকহিতকর গ্রহের তালিকাতেই ফেলেছে। প্রতি শনিবার সন্ধ্যায় শনিদেবের পূজার্চনা করার বিধান আছে। সাধারণত শনিদেবের মন্দিরে অথবা গৃহের বাইরে খোলা জায়গায় শনিদেবের পূজা হয়। নীল বা কৃষ্ণ বর্ণের ঘট, পুষ্প, বস্ত্র, লৌহ, মাষ কলাই , কালো তিল, দুগ্ধ, গঙ্গাজল, সরষের তেল প্রভৃতি বস্তু শনিদেবের ব্রতের জন্য আবশ্যক। নির্জলা উপবাস বা একাহারে থেকে এই ব্রত পালন করতে হয়।
সূর্যের বিভিন্ন ধরনের মন্ত্র
১) ওঁ হৃং রবৈ নমঃ:
এই মন্ত্রটি শরীরের রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে এবং কফের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।
২) ওঁ হূং সূর্যায় নমঃ:
এই মন্ত্রটি মানসিক শান্তি এবং শারীরিক শক্তি লাভের জন্য জপ করা হয়।
৩) ওঁ অর্কায় নমঃ:
এই মন্ত্রটি উদ্দীপনা এবং সৃজনশীল শক্তি লাভের জন্য জপ করা হয়।
৪) ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্যায়
এই মন্ত্রটি সূর্য দেবের আশীর্বাদ লাভের জন্য জপ করা হয়।
৫) ওঁ হিরণ্যগর্ভায় নমঃ:
এই মন্ত্রটি শারীরিক, মানসিক এবং বৌদ্ধিক শক্তির বিকাশের জন্য জপ করা হয়।
এই মন্ত্রগুলি নিয়মিত জপ করলে অর্থ, সম্মান, দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য লাভ করা যেতে পারে।
শাস্ত্রে পাঁঠা বলির উল্লেখ নেই। উল্লেখ আছে "ছাগ" বলির কথা। ছাগ মানে ছাগল বা পাঁঠা নয়। ছাগ অর্থাৎ ষড়রিপু।বিশুদ্ধ বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায় "ষড়" শব্দের অর্থ হলো ছয় এবং "রিপু" শব্দের অর্থ হলো শত্রু।
কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ, মতসয্য এই ষড়রিপুকে একত্রে ছাগ বলে। ছাগ বলি দেওয়ার অর্থ নিজেকে ভগবানের নিকট সমর্পণ করে এই ষড়রিপু গুলিকে ভগবানের সামনে ত্যাগ করা। অর্থাৎ এই ষড়রিপুকে বলি দিতে হয়। যাকে এককথায় "ছাগ" বলি বলা হয়ে থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় শাস্ত্র না জেনে, এইসবের প্রকৃত উদ্দেশ্যে না বুঝেই আমরা নিরীহ প্রাণীগুলোর হত্যা করি। অথচ আমরা নিজেরাই পাপের ভাগীদার হচ্ছি মায়ের কাছে নিরীহ প্রাণী গুলোর বলি দিয়ে। আমরা ভেবে নিই মা বলিতেই খুশী। কিন্তু তা আসলেই নয়। মা কখনো তার সন্তানের বলি চান না বা তাতে খুশী হন না। বরং সেই পূজো তিনি গ্রহণই করেন না। মা হলেন পরম দয়াময়ী...
এই জন্যই সংস্কৃত অধ্যায়ন করা অবশ্যই জরুরি, শাস্ত্র অধ্যায়ন করা অবশ্যই জরুরী,
শাস্ত্র অধ্যায়ন না করে সংস্কৃত শব্দের মানে না বুঝে যুগ যুগ ধরে সকলেই করে চলেছে অশাস্ত্রীয় কর্ম ।।
এগুলো অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিত ।।
১০ উপায়েই জীবন হয়ে উঠবে মিষ্টি
শুকনো লঙ্কা যে শুধু রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয় তা নয়, শুকনো লঙ্কা আমাদের ভাগ্য বদলাতেও কাজে আসে। আর্থিক উন্নতি, নজরদোষ থেকে মুক্তি এবং শত্রুদমন করতে কার্যকরী শুকনো লঙ্কা। শুকনো লঙ্কার মধ্যে যেমন ঝালের তেজ থাকে, তেমনই থাকে দুষ্টশক্তি দমন করার তেজ। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, শুকনো লঙ্কা দিয়ে বিশেষ কিছু টোটকা পালন করে নিজের ভাগ্যের উন্নতি করা সম্ভব।
টোটকা:
১) খুব বেশি পরিমাণে টাকা খরচ হচ্ছে? আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হচ্ছে? সে ক্ষেত্রে ২১টা শুকনো লঙ্কার বীজ একটা কাগজে মুড়ে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার সময় বালিশের নীচে রেখে দিন। কিছু দিন এই কাজটা করলেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।
২) বাস্তুদোষ কাটাতে প্রতি সপ্তাহে দু’-তিন দিন সন্ধ্যাবেলা শুকনো লঙ্কা পোড়ান। পোড়ানোর পর ছাইটা বাড়ির বাইরে ফেলে দিন। নেগেটিভ শক্তির পরিমাণ কমে যাবে।
৩) যদি খুবই শত্রুভয় থাকে, সে ক্ষেত্রে সাতটা শুকনো লঙ্কা ঘরের এক কোণে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখুন। শত্রুদের নাম জানা থাকলে লঙ্কাগুলো বাঁধার সময় তাঁদের নাম বলতে হবে।
৪) যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজে বেরোনোর আগে পাঁচটা শুকনো লঙ্কা দরজার সামনে রেখে, সেগুলির উপর পা দিয়ে বেরোলে খুব ভাল হয়। কাজে সফল হওয়া যায়।
৫) বাড়িতে যদি কেউ দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ থাকেন, তা হলে তাঁর বালিশের নীচে পাঁচটা শুকনো লঙ্কা রেখে দিন। এতে কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন।
৬) যদি বাড়িতে কারও উপর নজরদোষ থাকে, তা হলে তাঁর মাথার উপর পাঁচটা শুকনো লঙ্কা সাত বার ঘুরিয়ে, আগুনে পুড়িয়ে ফেলুন। নজরদোষ থেকে মুক্তি মিলবে।
৭) সম্পত্তি বৃদ্ধি করতে কোনও দরিদ্র ব্যক্তিকে আটা এবং শুকনো লঙ্কা একসঙ্গে দান করুন।
৮) পেশাগত ক্ষেত্রে উন্নতির জন্য ২১টা লঙ্কার বীজ একটা পাত্রে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে মাথার উপর সাত বার ঘুরিয়ে বাইরে ফেলে দিন।
৯) বাড়ির সদর দরজার মাথায় তিনটে লেবু এবং সাতটা শুকনো লঙ্কা বেঁধে ঝুলিয়ে দিন। বাড়িতে কোনও অশুভ শক্তি প্রবেশ করতে পারবে না।
১০) যে কোনও বাধা থেকে মুক্তি পেতে একটা হলুদ কাপড়ে সাতটা শুকনো লঙ্কা বেঁধে নিজের সঙ্গে রাখুন।
অর্থসমস্যা দূর হয়, সাফল্য পেতেও সাহায্য করে! বাড়িতে পায়রার পালক রাখলে কী কী ভাল ফল পাবেন জেনে নিন
আমরা অনেকেই বাস্তুর কল্যাণের উদ্দেশে বাড়িতে ময়ূরের পালক রাখি। এতে নানা দিক থেকে উপকার পাওয়া যায় ঠিকই। কিন্তু আমাদের অনেকেরই জানা নেই যে ময়ূর ছাড়াও বাড়িতে আরও একটি পাখির পালক রাখা যেতে পারে। সেই পাখিটির নাম হল পায়রা। বাড়িতে যদি পায়রার পালক রাখা যায় তা হলেও নানা ভাল ফল পাওয়া যায়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, বাড়িতে পায়রা পোষা অত্যন্ত শুভ। তবে সকলের পক্ষে বাড়িতে পায়রা রাখা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে বাড়িতে পায়রার পালক রাখতে পারলে খুব ভাল হয়। এ ছাড়াও, প্রতি দিন যদি পায়রাদের দানা খাওয়ানো যায় তাতেও খুব ভাল ফল পাওয়া যায়।
বাড়িতে পায়রার পালক রাখলে কী কী ভাল ফল পাওয়া যায়?
১. পায়রা হল শান্তির প্রতীক। বাড়িতে পায়রার পালক রাখলে নেগেটিভ শক্তির পরিমাণ হ্রাস পায়। বাড়িতে সর্বদা শান্তির পরিবেশ বিরাজ করে। বাড়ির লোকেদের সম্পর্কেরও উন্নতি হয়, ঝামেলা কম হয়।
২. বাড়িতে পায়রার পালক রাখলে আর্থিক উন্নতি ঘটে। অর্থসমস্যা দূরে গিয়ে, টাকাপয়সা হাতে আসতে শুরু করে। তবে পায়রার গা থেকে জোর করে পালক ছিঁড়ে নেওয়া যাবে না।
৩. মা লক্ষ্মীও পায়রার পালক খুব পছন্দ করেন। পায়রার গা থেকে ঝরে পড়া পালক পরিষ্কার করে সাদা কাপড়ে মুড়ে সিংহাসনে মা লক্ষ্মীর পায়ের কাছে রেখে দিন। খুব ভাল ফল পাবেন।
৪. যে কোনও কাজে সাফল্য পেতে সাহায্য করে পায়রার পালক। কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজে যাওয়ার সময় ব্যাগে একটা পায়রার পালক রেখে দিতে পারেন।
রাশি অনুযায়ী নামের অক্ষর
মেষ রাশি
চু, চে চো, লা, লী, লু, লে, লো, অ
বৃষ রাশি
ঈ, ঊ, এ, ও, বা, বী, বূ, বে, বো
মিথুন রাশি
কা, কী, কূ, ঘ, ঙ, ছ, কে, কো, হা
কর্কট রাশি
হী, হূ, হে, হো, ডা, ডী, ডূ, ডে, ডো
সিংহ রাশি
মা, মী, মূ, মে, মো, টা, টী, টূ, টে
কন্যা রাশি
টো, পা, পী, পূ, ষ, ণ, ঠ, পে, পো
তুলা রাশি
রা, রী, রূ, রে, রো, তা, তী, তূ, তে
বৃশ্চিক রাশি
তো, না, নী, নূ, নে, নো, য়া, য়ী, য়ূ
ধনু রাশি
য়ে, য়ো, ভা, ভী, ভূ, ধ, ফা, ঢা, ভে
মকর রাশি
ভো, জা, জী, খী, খূ, খা, খো গা, গী
কুম্ভ রাশি
গূ, গে, গো, সা, সী, সূ, সে, সো, দা
মীন রাশি
দী, দূ, থ, ঝ, ঞ, দে, দো, চা, চী
শ্রীজগন্নাথস্ত্রোত্রম্
...........................
কদাচিৎ কালিন্দীতটবিপিনসঙ্গীতকরবো
মুদাভীরীনারীবদনকমলাস্বাদমধুপঃ ।
রমাশম্ভুব্রহ্মাসুরপতিগণেশার্চিতপদো
জগন্নাথঃ স্বামী নয়নপথগামী ভবতু মে ।। ১
যিনি কখনও লীলাচ্ছলে সানন্দে যমুনাপুলিনস্থ অরণ্যরাজিকে সঙ্গীত দ্বারা মুখরিত করেন, যিনি গোপনারীর মুখপদ্মের মধু আস্বাদনকারী ভ্রমর, যাঁহার চরণ লক্ষ্মী শিব ব্রহ্মা ইন্দ্র ও গণেশের দ্বারা পূজিত, সেই প্রভু জগন্নাথ আমার দৃষ্টিগোচর হউন । ১
ভুজে সব্যে বেণুং শিরসি শিখিপুচ্ছং কটিতটে
দুকুলং নেত্রান্তে সহচরকটাক্ষং বিলসয়ন্ ।
সদা শ্রীমদবৃন্দাবনবসতিলীলাপরিচয়ো
জগন্নাথঃ স্বামী নয়নপথগামী ভবতু মে ।। ২
যিনি বামহস্তে বংশী, মস্তকে ময়ূরপুচ্ছ, কটিতে পীতাম্বর , নয়নপ্রান্তে স্বাভাবিক কটাক্ষ ধারণ করিয়া শ্রীবৃন্দাবনে নিত্য অবস্থানরূপ লীলাদ্বারা আত্মপরিচয় প্রদান করেন , সেই প্রভু জগন্নাথ আমার দৃষ্টিগোচর হউন । ২
মহাম্ভোধেন্তীরে কনকরুচীরে লীলশিখরে
বসন্ প্রাসাদান্তঃ সহজবলভদ্রেণ বলিনা ।
সুভদ্রামধ্যস্থঃ সকলসুরসেবাবসরদো
জগন্নাথঃ স্বামী নয়নপথগামী ভবতু মে ।। ৩
যিনি মহাসাগরের তীরে, সুবর্ণাভ নীলাচলশিখরে, প্রাসাদমধ্যে সুভদ্রাকে মধ্যভাগে স্থাপন পূর্বক সহোদর বীর বলভদ্রের সহিত বাস করিয়া সকল দেবতাকে সেবার অবসর দান করেন,সেই প্রভু জগন্নাথ আমার দৃষ্টিগোচর হউন । ৩
কৃপাপারাবারঃ সজলজলদশ্রেণিরুচিরো
রমাবাণীরামঃ স্ফুরদমলপঙ্কেরুহমুখঃ ।
সুরেন্দ্রৈরারাধ্যঃ শ্রুতিগণশিখাগীতচরিতো
জগন্নাথঃ স্বামী নয়নপথগামী ভবতু মে ।। ৪
যিনি দয়াসিন্ধু, যাঁহার কান্তি জলপূর্ণ মেঘমালার ন্যায় শ্যামল, যিনি লক্ষ্মী ও সরস্বতীর আনন্দনিধান , যাঁহার বদন বিকশিত অমল কমলসদৃশ , যিনি দেবনায়কগণকর্তৃক আরাধিত, যাঁহার লীলা উপনিষৎসমূহে কীর্তিত , করেন,সেই প্রভু জগন্নাথ আমার দৃষ্টিগোচর হউন । ৪
রথারূঢ়ো গচ্ছন্ পথি মিলিতভুদেবপটলৈঃ
স্তুতিপ্রাদুর্ভাবং প্রতিপদমুপাকর্ণ্য সদয়ঃ ।
দয়াসিন্ধুর্বন্ধুঃ সকলজগতাং সিন্ধুসুতয়া
জগন্নাথঃ স্বামী নয়নপথগামী ভবতু মে ।। ৫
যে কৃপানিধি ও নিখিল জগতের বন্ধু, লক্ষ্মীর সহিত রথে আরোহণপূর্বক পথে গমনকালে প্রতিপদে সম্মিলিত ব্রাহ্মণগণকৃত স্তব কীর্তন শ্রবন করিয়া করুণাযুক্ত হন- সেই প্রভু জগন্নাথ আমার দৃষ্টিগোচর হউন । ৫
পরব্রহ্মাপীড়ং কুবলয়দলোৎফুল্লনয়নো
নিবাসী নীলাদ্রৌ নিহতচরণোহনন্তশিরসি ।
রসানন্দো রাধাসরসবপুরালিঙ্গনসুখো
জগন্নাথঃ স্বামী নয়নপথগামী ভবতু মে ।। ৬
যিনি প্রজাপতির শিরোভূষণস্বরূপ, যাঁহার নয়ন পদ্মপলাশের ন্যায় বিকশিত, যিনি নীলাদ্রীতে বাস করেন, যিনি অনন্তনাগের মস্তকে চরণ স্থাপন করেন, যিনি প্রেমরসে বিভোর, যিনি শ্রীরাধার প্রেমময় দেহ আলিঙ্গনে আনন্দিত, সেই প্রভু জগন্নাথ আমার দৃষ্টিগোচর হউন । ৬
ন বৈ যাচে রাজ্যং ন চ কনকমাণিক্যবিভবং
ন যাচেহং রম্যাং সকলজনকাম্যাং বরবধূম্ ।
সদা কালে কালে প্রমথপতিনা গীতচরিতো
জগন্নাথঃ স্বামী নয়নপথগামী ভবতু মে ।। ৭
আমি রাজ্য চাহি না, স্বর্ণ ও মাণিক্যাদি ঐশ্বর্যও চাহি না, সর্বজনের স্পৃহণীয় উত্তব বধূও চাহি না; মহাদেবের দ্বারা লীলা সর্বদা কীর্তিত হয়, সর্ব সময়ে সেই সেই প্রভু জগন্নাথ আমার দৃষ্টিগোচর হউন । ৭
হর ত্বং সংসারং দ্রুততরমসারং সুরপতে
হর ত্বং পাপানাং বিততিমপারাং যাদবপতে ।
অহো দীনানাথং নিহিতমচলং নিশ্চিতপদং
জগন্নাথঃ স্বামী নয়নপথগামী ভবতু মে ।। ৮
হে সুরনাথ, তুমি অতি সত্বর ( আমার নিকট হইতে ) নিঃসার সংসার দূর কর ; হে যদুপতি , তুমি এই অকূল পাপসাগর নাশ কর । আহা, দীন জনের আকাঙ্খানীয় কি শাশ্বত নিশ্চিত মোক্ষধামই না এখানে স্থাপিত হইয়াছে ! সেই প্রভু জগন্নাথ আমার দৃষ্টিগোচর হউন । ৮
জগন্নাথাষ্টকং পুণ্যং যঃ পঠেৎ প্রযতঃ শুচিঃ ।
সর্বপাপবিশুদ্ধাত্মা বিষ্ণুলোকং স গচ্ছতি ।। ৯
যে সংযত ও শুদ্ধ হইয়া পবিত্র জগন্নাথষ্টক পাঠ করে, তাহার চিত্ত সর্বপাপ হইতে মুক্ত হয় ও সে বিষ্ণুলোকে গমন করে । ৯
শনির বক্রী চলনে কি হবে??
জুলাই সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে শনি বক্রি হতে চলেছেন। আর শনির এই উল্টো চালে চার রাশির জীবনে বড় প্রভাব পড়বে। তাহলে ভাগ্যের চাকা ঘুরবে কাদের? জেনে নিন-
বৃষ: শনির গোচরে বৃষ রাশির সৌভাগ্যের দরজা খুলবে। পারিবারে কোনও সমস্যা চললে শীঘ্রই তা মিটে যাবে। আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতি হবে৷ ঋণের বোঝা কমবে। যে কোনও কাজে সাফল্যের যোগ রয়েছে। আয়ের নতুন খোঁজ পেতে পারেন। মা-বাবার সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি হবে।
মিথুন: শনির বক্রী হওয়া মিথুন রাশির জন্য অত্যন্ত শুভ ফল বয়ে আনবে। শনিদেব আপনার জীবনে নতুন দিশা আনবে। কেরিয়ারে উন্নতির সুযোগ পাবেন। এই সময় আপনি নতুন ব্যবসা শুরু করতে পারেন। সন্তানের সঙ্গে ভাল সময় কাটাবেন। অর্থ সঞ্চয় করতেও সক্ষম হবেন।
কর্কট: শনির বক্রিতে কর্কট রাশির জাতক-জাতিকাদের উন্নতি হবে। আচমকা অর্থভাগ্য বদলাতে পারে। লটারি জেতার যোগ রয়েছে। আর্থিক দিক থেকে জীবন আরও সুরক্ষিত হতে পারে। অনেক দিন ধরে কোনও কাজ আটকে থাকলে এবার তা শেষ করতে পারবেন। স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে।
মীন: শনির প্রভাবে কপাল খুলবে মীন রাশির। ব্যবসায়ে বড় চুক্তি করতে পারেন যা ভবিষ্যতে লাভ হবে। নতুন চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পেশাগত জীবন নিয়ে মানসিক চাপ দূর হবে৷ প্রিয়জনের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন৷
চরম বিপদে পড়লে সমস্যা ঘন কালো হয়ে উঠবে তখন এই রক্ষা কালী প্রয়োগ খুব উপকারী।
রক্ষাকালীর ধ্যান
ওঁ কৃষ্ণাং লম্বোদরীং ভীমাং
নাগকুণ্ডলশোভিতাম্। রক্তমুখীং
লোলজিহ্বাং রক্তাম্বরধরাং কটৌ।।
পীনোন্নতস্তনীমুগ্রাং মহানাগেন
বেষ্টিতাম্। শবস্যোপরি দেবেশীং
তস্যোপরি কপালিকাম্।। নাসাগ্রধ্যাননির
তাং মহাঘোরাং বরপ্রদাম্। চতুর্ভূজাং
দীর্ঘকেশীং দক্ষিণস্যোর্দ্ধবাহুনা।।
বিভ্রতীং মলিনীমেকাং বামোর্দ্ধে
পানপাত্রকম্। বরাভয়ধরাং দেবীমধস্তাদ্দক্
ষবাময়োঃ। পিবন্তীং রৌধিরীং ধারাং
পানপাত্রং সদাসবৈঃ। সর্ব্বসিদ্ধিপ্রদাং
দেবীং নিত্যং গিরিনিবাসিনীম্।।
লোচনত্রয়সংযুক্তাং নাগযজ্ঞোপবীতিনী
ম্। দীর্ঘনাসাং দীর্ঘজঙ্ঘাং দীর্ঘাঙ্গীং
দীর্ঘজিহ্বিকাম্।। চন্দ্রসূর্য্যাগ্নিভেদেন
লোচনত্রয়সংযুতাম্। মারীনাশকরীং
দেবীং মহাভীমাং বরপ্রদাম্।।
ব্যাঘ্রচর্ম্মশিরোবদ্ধাং জগণ্ড্রয়বিভা-বি
নীম্। সাধকানাং সুখং কর্ত্রীং
সর্ব্বলোকভয়াপহাম্। এবম্ভুতাং সদা
কালীং রক্ষাদিং প্রণমাম্যহম্।।
য়াহু গ্রহকে খুশি করার উপায়
১) কালো রঙের ব্যবহার কমিয়ে দিন
২) যেকোনো মন্দিরের ছোটখাটো বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করে দিন।
৩) বুধবারের দিন কোন ধোপা কাপড় কাচলে তাকে সাদা মিষ্টি দান করুন রাহু থেকে প্রতিকার পাবেন।
৪) স্নান করার সময় দুই থেকে তিন ফোটার কপূর দিয়ে স্নান করুন।
৫) শনিবারের দিন কোন ধর্ম স্থানে নীল! রং এর কোনো জিনিস দান করুন।
৬) রাহুর থেকে বাঁচার জন্য সাদা জামা বেশি পরিধান করুন।
কামদেব
কামদেব হলো হিন্দু ধর্মানুসারে প্রেমের দেবতা। কামদেবকে মদন, মন্মথ, পুষ্পবাণ, কন্দর্প, অনঙ্গ, রাগবৃন্ত, পুষ্পধন্বা, রতিকান্ত, মনসিজ, কাম, এবং অন্যান্য নামেও ডাকা হয়. তিনি ভালোবাসার দেবতা হিসেবে পরিচিত এবং তাকে সাধারণত সুদর্শন যুবক হিসেবে চিত্রিত করা হয়, যিনি আখের ধনুক এবং ফুলের তীর ব্যবহার করেন.
কামদেবের অন্যান্য নাম:
রাগবৃন্ত (প্রেমের অঙ্কুর)
অনঙ্গ (দেহহীন)
কন্দর্প (দেবগণেরও কামনা সৃষ্টিকারী)
মন্মথ (মন মন্থনকারী)
মনসিজ (মন হইতে জাত)
মদন (নেশা সৃষ্টিকারী)
রতিকান্ত (রতির পতি)
পুষ্পবাণ
পুষ্পধন্বা (পুষ্পবাণধারী)
কাম (কামনা)
কামদেবের বৈশিষ্ট্য:
কামদেবকে সুদর্শন যুবক হিসেবে চিত্রিত করা হয়, যিনি অলঙ্কার এবং ফুল দিয়ে সজ্জিত.
তিনি আখের ধনুক এবং ফুলের তীর ব্যবহার করেন, যা কামের প্রতীক.
কামদেব প্রেমের দেবতা হিসেবে পরিচিত এবং তাকে বসন্ত পঞ্চমীর দিন পূজা করা হয়, যখন বসন্ত ঋতুর সূচনা হয়, মতে.
কামদেবের প্রভাবে পৃথিবীতে ভালোবাসার সঞ্চার হয় এবং পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়, ।
মহাদেব কে অর্পণ করলে
কি ফল লাভ হয়??
বেল পাতা - ইচ্ছা পূরণ হয়।
অপরাজিতা ফুল - সমস্ত গ্ৰহদোষ কাটে।
আকুন্দ ফুল - খ্যাতি অর্জন হয়।
ধূতরা ফুল-কর্ম প্রাপ্তি হয়।
গঙ্গাজল পাপ ধ্বংস হয়।
দুধ - স্বাস্থ্য উন্নতি হয়।
চন্দন - সম্মান ও খ্যাতি বৃদ্ধি পায়।
মধু - মন পবিত্র হয় ও মানসিক শান্তি পায়।
দই - বাধা-বিপত্তি দূর হয়।
ঘি - সন্তান লাভ হয় ও শক্তি বৃদ্ধি পায়।
আতব- অর্থ কষ্ট দূর হয়।
চিনি - গৌরব অর্জন হয়।
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, শনি গ্রহের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানের উপর নির্ভর করে এর ফল শুভ বা অশুভ হতে পারে। সাধারণভাবে, ষষ্ঠ, অষ্টম এবং দ্বাদশ স্থান শনির জন্য অশুভ স্থান হিসাবে বিবেচিত হয়। শনির এই স্থানগুলিতে অবস্থানকালে তার প্রভাব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হতে পারে।
ষষ্ঠ স্থান:
শনি ষষ্ঠ স্থানে থাকলে স্বাস্থ্য, দৈনন্দিন জীবন এবং বিভিন্ন প্রকারের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অষ্টম স্থান:
অষ্টম স্থানে শনির অবস্থান কর্মজীবন এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
দ্বাদশ স্থান:
দ্বাদশ স্থানে শনির অবস্থান আর্থিক সমস্যা এবং স্বাস্থ্য দুর্বলতা তৈরি করতে পারে।
তবে, শনির শুভ প্রভাবও রয়েছে। শনির শক্তিশালী অবস্থান বোধগম্যতা এবং দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করতে পারে। জ্যোতিষশাস্ত্রে দ্বিতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, সপ্তম, নবম এবং একাদশ স্থানকে কল্যাণকর স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই স্থানগুলোতে শনি অবস্থান করলে শুভ ফল পাওয়া যায়।
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, শনি গ্রহের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানের উপর নির্ভর করে এর ফল শুভ বা অশুভ হতে পারে। সাধারণভাবে, ষষ্ঠ, অষ্টম এবং দ্বাদশ স্থান শনির জন্য অশুভ স্থান হিসাবে বিবেচিত হয়। শনির এই স্থানগুলিতে অবস্থানকালে তার প্রভাব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হতে পারে।
ষষ্ঠ স্থান:
শনি ষষ্ঠ স্থানে থাকলে স্বাস্থ্য, দৈনন্দিন জীবন এবং বিভিন্ন প্রকারের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অষ্টম স্থান:
অষ্টম স্থানে শনির অবস্থান কর্মজীবন এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
দ্বাদশ স্থান:
দ্বাদশ স্থানে শনির অবস্থান আর্থিক সমস্যা এবং স্বাস্থ্য দুর্বলতা তৈরি করতে পারে।
তবে, শনির শুভ প্রভাবও রয়েছে। শনির শক্তিশালী অবস্থান বোধগম্যতা এবং দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করতে পারে। জ্যোতিষশাস্ত্রে দ্বিতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, সপ্তম, নবম এবং একাদশ স্থানকে কল্যাণকর স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই স্থানগুলোতে শনি অবস্থান করলে শুভ ফল পাওয়া যায়।
বাস্তু অনুসারে বাড়ির কোন দিকে কোন ঘর রাখা শুভ
শোবার ঘর:
'আরামদায়ক ঘুম এবং ইতিবাচক শক্তির জন্য শোবার ঘর ও শোবার ঘরে বিছানাটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রাখুন।
* বাস্তু অনুসারে, মাথা পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে, পা উত্তর বা পশ্চিম দিকে থাকা উচিত।
ঠাকুরঘর:
* বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিকে ঠাকুরঘর করার ব্যবস্থা করতে হয়।
* ঠাকুরঘরের দরজা-জানালা উত্তর বা পূর্ব দিকে খোলা উচিত।
রান্নাঘর:
* রান্নাঘরের জন্য উত্তর-পশ্চিম দিক আদর্শ।
প্রবেশ পথ:
* বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বার দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিম বা পশ্চিম দিকে মুখ করা এড়িয়ে চলুন।
* পূর্ব বা উত্তর দিকে মুখ করা প্রবেশপথ ভালো।
কেতু গ্রহ ও বাস্তু
১) বাস্তুতে ঝুল, মাকড়সা অতিরিক্ত হলে এবং বিছানা নোংরা, ও অগোছালো থাকলে কেতু নেগেটিভ হবে। গৃহীর অকল্যান হবে।
২)ঈশাণ কোনে টয়লেট থাকলে, পরিবারের সদস্যদের যে কোনো ইনফেকশন হতে পারে। গুহ্য রোগে আক্রান্ত হবে।
৩) বাড়ির উত্তর দিকে স্টোর রুম থাকলে। কেতু গ্রহ কমিউনিকেশন বাধা সৃষ্টি করবে। অর্থাৎ বাড়িতে opportunity block হবে, চাকরি, ব্যবসা ক্ষতি হবে।একটি সবুজ বাল্ব জ্বালিয়ে রাখুন।।
গণেশের দ্বাদশ নামে ইচ্ছা পূরণ
১) গণপতি, ২)একদন্ত, ৩)বিঘ্নেশ্বর, ৪) বিনায়ক,৫ )গজপতি, ৬) সুমুখ, ৭) গজানন,৮) বালচন্দ্র,৯) গণাধ্যক্ষ, ১০)লম্ভোদর,১১) পীরী এবং১২ চতুর।
রাহু শীঘ্রই তার রাশি পরিবর্তন করতে চলেছে। এই বছর ১৮ মে সকাল ৭ টা ৩৫ মিনিটে রাহু কুম্ভ রাশিতে গমন করবে, যা চারটি রাশির উপর অত্যন্ত শুভ এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আসুন জেনে নিই এই ৪ ভাগ্যবান রাশি সম্পর্কে।
মেষ: রাহুর গোচর মেষ রাশির জাতক জাতিকাদের জন্য শুভ দিন শুরু করতে পারে। ব্যক্তিরা তাদের কর্মজীবনে আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন। উন্নতির সুযোগ আপনার সামনে আসবে। খরচ কম হবে এবং আয় বেশি হবে। ট্রানজিট চলাকালীন, ব্যক্তির বিদেশ ভ্রমণের সম্ভাবনা তৈরি হবে। রাহুর গোচর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করতে পারে। জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পেতে পারে।
মিথুন: মিথুন রাশির জাতকরা রাহুর গমন থেকে প্রচুর সুবিধা পেতে পারেন। নষ্ট কাজ সম্পন্ন হবে। আয়ের নতুন পথ খুলে যাবে। নতুন গাড়ি বা রিয়েল এস্টেট কেনার সুযোগ পেতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে আপনার সিনিয়রদের কাছ থেকে পূর্ণ সমর্থন পাবেন। ভালো অভিনয় ব্যক্তিকে নতুন পরিচয় দিতে পারে।
কর্কট: কর্কট রাশির জাতকদের জন্য রাহুর গমন শুভ হতে পারে। আপনার কর্মজীবনে আপনি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সহায়তা পাবেন এবং পদোন্নতির সম্ভাবনা থাকবে। কর্মক্ষেত্রে আপনি সাফল্য এবং আপনার কঠোর পরিশ্রমের ফল পাবেন। বড় লক্ষ্য অর্জন হবে এবং কাজের বাধা দূর হবে। লড়াইয়ের পরিস্থিতির অবসান হবে। পরিবারে সুখ আসবে।
ধনু: ধনু রাশির জাতক জাতিকারা রাহুর গোচর থেকে অনেক লাভবান হতে পারেন। এই রাশির মানুষের জন্য সময় অনুকূল থাকবে। আপনি কোনও ধর্মীয় ভ্রমণে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন। আপনার কেরিয়ারে উচ্চতায় পৌঁছানোর সুযোগ আসবে। জাতকদের জন্য খুব ভালো সময় শুরু হতে পারে। পারিবারিক বিবাদ থেকে মুক্তি পাবেন। নতুন কাজ শুরু করার জন্য সহকর্মীদের কাছ থেকে সহায়তা পাবেন।
১)৫-৬টি লবঙ্গ একসঙ্গে জ্বালিয়ে ঘরের ঈশান কোণায় রাখলে আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়। ঋণ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ।
২) অর্থ ও সমৃদ্ধি লাভ করতে চাইলে রাতে ১০ বা ১৫টি লবঙ্গ একসঙ্গে অগ্নি কোনে পোড়াতে পারেন। এতে সেই ব্যক্তির জীবনে উন্নতি হয় ও লটারি প্রাপ্তি হয়।
২০২৭ পর্যন্ত চরম পরীক্ষা, ৫ রাশিকে পদে পদে চ্যালেঞ্জ দেবেন শনি, একটি শর্তেই বাজিমাৎ
২০২৭ পর্যন্ত চরম পরীক্ষা, ৫ রাশিকে পদে পদে চ্যালেঞ্জ দেবেন শনি
শনি দেবের রাশি পরিবর্তন হয়ে গেছে। প্রায় আড়াই বছর নিজের রাশি অর্থাৎ কুম্ভ রাশিতে থাকার পর ২৯ মার্চ ২০২৫-এ শনি কুম্ভ থেকে মীন রাশিতে প্রবেশ করেছেন। এই গোচর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । ২৯ মার্চের পর কতগুলি রাশির উপর সাড়েসাতি এবং শনির ধইয়া শুরু হয়েছে।
জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, শনি কখনও অন্যায় সহ্য করেন না। তিনি কেবল কর্মের ফল দেন। শনি প্রায় ৩০ মাস কুম্ভ রাশিতে থাকার পর এখন মীন রাশিতে প্রবেশ করেছেন। শনির এই অবস্থান আগামী আড়াই বছর থাকবে এবং ২০২৭ পর্যন্ত প্রভাব ফেলবে।
সাড়েসাতি এই রাশিগুলিতে সারা বছর থাকবে (Sade Sati 2025)
কুম্ভ রাশি-শেষ পর্যায় (তৃতীয় পর্যায়)
মীন রাশি-দ্বিতীয় পর্যায়
মেষ রাশি-প্রথম পর্যায় (এখন শুরু হয়েছে)
শনির ধইয়ায় আছে - (Shani Ki Dhaiya 2025)
সিংহ রাশি
ধনু রাশি
ঈশাণ কোণে টয়লেট কি সত্যিই সর্বনাশ!
1) ঈশাণ কোণে টয়লেট থাকলে। ডিশিশন নিতে পারবেন না, ব্রেণের সমস্যা, নার্ভ সমস্যা, ব্রেণ স্টোক, স্মৃতি শক্তি কমজোড়ী, ক্যানসারের মতো রোগ হয়। প্রচুর অর্থ বেড়িয়ে যাবে।। বুদ্ধির ভুলে পিছিয়ে পরবেন।
2) ঈশাণ কোণে টয়লেট থাকলে বাস্তু রেমিডি না করায় ভালো। সব থেকে ভালো সরিয়ে অন্যত্র করুন।।
3) নেহাত উপায় না থাকলে। সবুজ ব্লাব সব সময় জ্বালিয়ে রাখন। অ্যাভেনচুরিয়ান সবুজ স্টোন 500 গ্রাম টয়লেটে রাখুন। হালকা হলুদ রং দিয়ে টয়লেট সিট ঘিরে রাখুন।।
বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে বুধদেবের সঙ্গে শনির যুতি খুবই শুভ। আসন্ন সময়ে শনিদেবের সঙ্গে বুধের যুতি তৈরি হতে চলেছে। বুধ আর শনির যুতিতে একাধিক রাশির ভাগ্যে সুখ আসতে পারে বলে মত জ্যোতিষ গণনার। বর্তমানে শনি রয়েছেন গুরুর নক্ষত্রে। গুরুর নক্ষত্রে শনির অবস্থানের ফলে একাধিক রাশির জাতক জাতিকারা লাভ পাবেন। আর ৩ এপ্রিল এই নক্ষত্রে প্রবেশ করবেন বুধও। ফলে শনিদেবের নক্ষত্র পূর্বভাদ্রপদে তৈরি হবে শনি ও বুধের যুতি। তারফলে একাধিক রাশির জাতক জাতিকারা লাভ পাবেন। কারা পাবেন সুখের দেখা? দেখে নিন লাকি রাশির তালিকা।
বৃষ
কেরিয়ারের দিক থেকে খুবই লাভ হবে। বহু ক্ষেত্রেই আসতে থাকবে লাভ। সিনিয়র অফিসারদের আপনার সঙ্গে সম্পর্ক আগের থেকে ভালোর দিকে যাবে। কর্মস্থলে পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে। কোথাও কাজের সূত্রে লম্বা দূরত্বের কোনও স্থানে যেতে পারেন। জীবনে দীর্ঘদিন ধরে চলা সমস্যা থেকে পাবেন মুক্তি। শিক্ষা ক্ষেত্রে চলা সমস্যা এবার মিটবে। অনেক ইচ্ছা পূরণ হবে। সন্তানের থেকে ভালো খবর পেতে পারেন। মান সম্মান বাড়তে পারে। আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।
মিথুন
সব দিক থেকে অপার সাফল্য পাবেন। জীবনে নানান রকমের খুশি আনন্দ আসতে পারে। আপনার পরিশ্রম আপনাকে ভালোর দিকে নিয়ে যাবে। পরিশ্রমের ফল পাবেন এবার। আপনি টাকার সঞ্চয় করতে পারবেন। সব কাজে পরিবারের যোগ্য সঙ্গত পাবেন। জীবনসঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালোর দিকে যাবে। অনেক ইচ্ছা পূরণ হতে পারে এই সময়। কর্মক্ষেত্রে আপনার প্রদর্শন ভালো হবে। কেরিয়ারে ব্যাপক লাভ হবে।
তুলা
দীর্ঘ দিন ধরে চলা সমস্যার এবার সমাধান হবে। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্রে বুধের অবস্থানের ফলে। এরসঙ্গেই জাতক জাতিকারা খুবই ভালো লাভের দিকে যেতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ এবার সম্পন্ন হবে। আপনার চাকরির ক্ষেত্রে বেশ কিছু সুযোগ আসতে পারে। আপনাকে আলস্য ত্যাগ করতে হবে। পরিবারে আসতে পারে মতভেদ। খানিকটা সতর্ক হোন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা যাঁরা দিচ্ছেন, তাঁরা পাবেন লাভ।
সুখবর 5রাশির
এপ্রিল মাস শুরু হচ্ছে হিন্দু নববর্ষ দিয়ে। এছাড়াও, এই মাসের রাজা এবং মন্ত্রী হবেন সূর্য এবং এই মাসে সূর্য তার উচ্চ রাশি মেষ রাশিতে গোচর করবে। এমন পরিস্থিতিতে, এপ্রিল মাসটি বৃষ এবং কর্কট সহ ৫টি রাশির জাতকদের জন্য একটি প্রগতিশীল মাস হবে। এই মাসে, এই রাশির জাতকরা হঠাৎ লাভের সুযোগ পাবেন। এর সঙ্গে , এই রাশির জাতক জাতিকারা তাদের চাকরিতে পদোন্নতির সুযোগও পাবেন। আসুন জেনে নিই এপ্রিল মাস কোন রাশিগুলির ভাগ্যবান।
মাসিক ভাগ্যবান রাশি-
বৃষ রাশি (Taurus)
বৃষ রাশির জাতকদের জন্য এপ্রিল মাসটিও খুব ভালো যাবে। কারণ, এই মাসে শুক্র আপনার রাশির উচ্চ অবস্থানে থাকবে এবং ১১তম ঘরে গোচর করবে। এর সঙ্গে, এই সময়ে বৃহস্পতিও আপনার রাশির মধ্যে অবস্থান করবে, তাই, এপ্রিল মাসে শুক্র আপনাকে উপার্জনের জন্য অনেক শুভ সুযোগ দেবে। আপনাকে কিছু কঠোর পরিশ্রম করতে হবে কিন্তু কঠোর পরিশ্রমের ফল অবশ্যই পাবেন। এছাড়াও এই সময়ে আপনার কিছু ধর্মীয় কাজে ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে। আপনি এটি শুভ কাজেও ব্যয় করতে পারেন। এই মাসটি আপনাকে অনেক ভালো আয়ের সুযোগ দেবে।
কর্কট রাশি (Cancer)
কর্কট রাশির জাতকদের জন্য এপ্রিল মাসটি শুভ হতে চলেছে। মাসের শুরুটা চাকরিজীবীদের জন্য খুব ভালো সময় হবে। এই মাসে, ব্যবসায়ী শ্রেণির লোকেরা তাদের ব্যবসায় ভালো লাভ পাবেন। তবে, এই মাসে আপনার ব্যয় আপনার আয়ের চেয়ে বেশি হবে। এই মাসের দ্বিতীয়ার্ধে আপনাকে অনেক ভ্রমণ করতে হতে পারে। এই সময়ে, আপনার খুব প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠবে। যার ফলে আপনি ভবিষ্যতে অনেক সুবিধা পাবেন। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পছন্দসই পদ বা দায়িত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও, এই রাশির জাতক জাতিকারা যারা পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা সাফল্য পেতে পারেন। এছাড়াও, ব্যবসায়ী শ্রেণির লোকেদের জন্য কাঙ্ক্ষিত লাভ এবং অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেম জীবনের জন্যও মাসটি খুব ভালো যাবে।
তুলা রাশি (Libra)
এই মাসে, তুলা রাশির জাতকদের জন্য শুক্র গ্রহ উচ্চ অবস্থানে থাকবে এবং তাদের সাফল্য, কর্মজীবনে অগ্রগতি এবং আর্থিক সুবিধা প্রদান করবে। এই মাসে আপনি আর্থিক লাভের জন্য অনেক ভালো সুযোগ পাবেন। এছাড়াও, পারিবারিক সমস্যায় আপনি কিছুটা স্বস্তি পাবেন। চাকরিজীবীরা পদোন্নতি এবং আর্থিক লাভের সুখ পেতে পারেন। এছাড়াও, এই মাসে আপনার সুখ এবং সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও, কিছু ওঠানামার পরে ব্যবসায়ীরা ভালো লাভ পাবেন। এর সঙ্গে, এই মাসে সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি, আপনি অনেক শুভ কাজে অর্থ ব্যয় করতে পারেন, যা আপনার সম্মান এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করবে।
মকর রাশি (Capricorn)
এপ্রিল মাসে, মকর রাশির জাতক জাতিকাদের উপর শনির সাড়ে সাতির প্রভাব চলে যাবে এবং আপনার সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও, মকর রাশির জাতক জাতিকারা এই মাসে আর্থিক লাভের পাশাপাশি অগ্রগতির অনেক শুভ সুযোগ পাবেন। এই মাসটি আপনার জন্য খুবই শুভ এবং ফলপ্রসূ হবে। এই মাস থেকে, আপনি এমন সবকিছু পাবেন যার জন্য আপনি দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। তবে, এই মাসে আপনি বিলাসবহুল জিনিসপত্র ইত্যাদি কেনার জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করবেন। এই মাসে আপনার ভালো পদোন্নতি পাওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল।
মীন রাশি (Pisces)
মীন রাশির জাতক জাতিকাদের জন্য এপ্রিল মাসে শনির সাড়ে সাতি শুরু হচ্ছে, তবে এপ্রিল মাসে আপনার জন্য পরিস্থিতিতে কিছুটা পরিবর্তন আসবে। পরিবারের চারপাশের পরিবেশ বেশ ইতিবাচক হবে। আসলে, এই মাসে শুক্র মীন রাশিতে উচ্চ অবস্থানে থাকবে। এছাড়াও, এই মাসে সূর্য এবং বুধও আপনার রাশিতে অবস্থান করবে এবং বুধাদিত্য রাজযোগ তৈরি করবে। এমন পরিস্থিতিতে, মার্চ মাসটি আপনার কেরিয়ার, পরিবার এবং স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হবে। চাকরিজীবীরা একটু পরিশ্রমের পর তাদের কর্মজীবনে ভালো ফলাফল পেতে পারেন।
এই অভ্যাস ত্যাগ করলেই
গ্রহ শক্তিশালী হবে
১। সূর্য: বাবা মাকে কটুকথা বলবেন না ও সাহসী হোন।
২। চাঁদ: দুশ্চিন্তা করা ছেড়ে দিন।
৩। মঙ্গল: রাগ ত্যাগ করুন।
৪। বুধ: মিথ্যাকথা বলা বন্ধ করুন।
৫। বৃহস্পতি: গুরু এবং বিদ্যাকে কখনই অপমান করবেন না।
৬। শুক্র: কুঅভ্যাস বা অসৎকর্ম ত্যাগ করুন
৭। শনি: আলস্য ছেড়ে কর্মঠ হন।
৮। রাহু: বাথরুম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও শুকনো রাখুন।
৯। কেতু: মদ্যপান বন্ধ করুন
মেয়েদের শরীরের কোথায়
তিল থাকা কিসের ইঙ্গিত
১) ভ্রুতে তিল: সৌভাগ্যবান ও ধনবান
২) কপালে তিল: চালাক চতুর ও জ্ঞানী
৩) চিবুকে তিল: সুন্দরী ও ধার্মিক।
৪) ঘাড়ে তিল: ধৈর্যশীল
৫) কোমরে তিল: ক্ষমতাবান
৬) কাঁধে তিল: বিলাসবহুল জীবন
৭) ডান পায়ে তিল: বুদ্ধিমান ও চালাক।
৮) ঠোঁটে তিল: জীবনসঙ্গীর দ্ধারা
উন্নতি
৯) নাকে তিল: শান্ত ও ধীর প্রকৃতির
১০) বাম পায়ে তিল: শ্রী বৃদ্ধি।
বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন? \r\nএই পোষ্ট অবশ্যই টাইমলাইনে রেখে দিন নির্মাণ কাজে সহযোগী হবে \r\nআপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথা গোজার স্থান না হয়। আপনার বাড়ি করতে হবে ভেবে চিন্তে প্রকৌশলীর পরামর্শে। বাড়ি করার পূর্বে মূল শর্ত হলো প্ল্যানিং। প্ল্যান করে বাড়ি করা হলে আপনি আপনার জমির সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবেন ।\r\n\r\nবাড়ি করার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।\r\n\r\n* বিভিন্ন রুমের আদর্শ এবং সর্বনিম্ন মাপ\r\n* রুমের অবস্থান\r\n* সৌন্দর্য\r\n* পর্যাপ্ত আলো বাতাস এর সু ব্যাবস্থা\r\n* নিরাপত্তা\r\n* ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা\r\n* আপনার এলাকার নিয়ম অনুযায়ী কতটুকু জমি ছেড়ে বাড়ি করতে হবে , তার পরিমাণ ।\r\n.\r\n★★ রুমে মাপ এবং অবস্থানঃ\r\n\r\n#বেড_রুম : \r\nবেড রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ১০ ফিট বাই ১২ ফিট।\r\n~অবস্থান : যেদিকে সর্বোচ্চ ন্যাচারাল গিফট পাওয়া যাবে অর্থাৎ পর্যাপ্ত আলো বাতাস যেদিকে পাওয়া যায়। যেনো ব্যালকনি তে বসলেই ভেসে আসে দখিনা বাতাস । তবে সাধারণত একটা বিল্ডিং এর কর্ণার সাইডে বেড রুম দেওয়া হয় । এক বেড রুম থেকে আরেক বেড রুমের দূরত্ব বা অবস্থান এমন হবে যেন সম্পূর্ণ প্রাইভেসি বজায় থাকে। অর্থাৎ এক রুমের থেকে অন্য রুমের ভ্যান্তরীন দৃশ্য সহজেই দৃষ্টি-গোচর হবে না ।\r\n.\r\n#গেষ্ট_রুম : \r\nগেস্ট রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই নয় ফিট\r\n~অবস্থান : সিঁড়ির কাছাকাছি ।\r\n.\r\n#ডায়নিং : \r\nডায়নিং রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই দশ ফিট\r\n~অবস্থান :রান্না ঘরের পাশে হলে ভাল হয় ।\r\n.\r\n#বাথরুম_টয়লেট : \r\nবাথ রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত\r\nছয় ফিট বাই চার ফিট ।\r\n~অবস্থান : \r\nকমন বাথরুম হলে সবাই যাতে সহজেই ব্যাবহার করতে পারে এমন স্থানে ।\r\nটয়লেটে অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করবেন । এটা এয়ার ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে টয়লেটের দূর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি আপনার টয়লেট এর ফ্লোর শুকনা রাখবে ।\r\n.\r\n#কিচেন : \r\nকিচেন রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই সাত ফিট\r\n~অবস্থান : \r\nকিচেনে রান্নার সময় রান্নার গ্যাস বা ধোয়া যেন অন্য রুমে প্রবেশ না করতে পারে ।\r\nরান্না ঘরের পরিবেশ ফ্রেস রাখার জন্য, কিচেনেও এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করা উচিত ।\r\n.\r\n#ব্যালকনি : \r\nচওড়া তিন ফিটের কম নয় ।\r\n.\r\n#সিড়ি : \r\nআট ফিট চওড়া হলে ভাল হয় অবস্থান : মেইন রাস্তার পাশে অথবা রাস্তা থেকে সর্বনিম্ন দূরত্বে।
টোটকা: শিবরাত্রির দিন পালন করতে পারলে জীবন সুখ-শান্তিতে ভরে উঠবে, অর্থ সমস্যাও দূর হবে
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, বুধবার, শিবরাত্রি। শিবরাত্রি পালনের নানা রকম নিয়ম রয়েছে। এ দিন উপবাস রেখে শিবলিঙ্গে চার প্রহর জল ঢালতে হয়। কেউ যদি উপবাস রাখতে না-ও পারেন, সেই ক্ষেত্রে ফলাহার করতে পারলে খুব ভাল হয়। শিবরাত্রির বিশেষ দিনে মনস্কামনা পূরণ করার জন্য সহজ কয়েকটি টোটকা পালন করে দেখতে পারেন। এর ফলে জীবনের নানা সমস্যা কেটে যাবে।
টোটকা:
১) শিবরাত্রির দিন মনস্কামনা পূরণের জন্য শিবলিঙ্গে সাদা চন্দন, যে কোনও সুগন্ধি এবং গঙ্গাজল একসঙ্গে মিশিয়ে অর্পণ করুন।
২) একটা আকন্দ ফলকে দু’ভাগ করে নিয়ে তার ভিতরটা পরিষ্কার করে নিন। এর পর তার ভিতরে ঘি ঢেলে প্রদীপ জ্বালুন। এই কাজটি শিবরাত্রির দিন অবশ্যই করুন।
৩) শিবরাত্রির দিন মহাদেবকে একটা ছোট পাত্রে কিছুটা চিনি এবং একটা বাতাসা বা সন্দেশ অর্পণ করুন।
৪) ধনসম্পত্তি বৃদ্ধির জন্য শিবলিঙ্গে বেদানার রস অর্পণ করুন।
৫) শিবরাত্রির দিন গঙ্গাজলে কালো তিল মিশিয়ে অর্পণ করুন।
৬) এই দিন নন্দীর সামনে সবুজ ঘাস অর্পণ করুন।
৭) যাঁদের দীর্ঘ দিন ধরে বিয়ে হচ্ছে না, তাঁরা কাঁচা দুধের সঙ্গে কেশর মিশিয়ে শিবলিঙ্গে অর্পণ করুন।
৮) এই দিন উপবাস রেখে পুজো করে বাড়িতে শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করুন। ১০৮ বার শিবের নাম জপ করুন।
৯) শিবরাত্রির দিন গরিব-দুঃখীদের সাধ্যমতো কিছু দান করুন।
১০) শিব পুজোর দিন আটার ১২টা গুলি তৈরি করে মাছকে খাওয়ান। এই কাজটা দুপুর ১২টা থেকে ২টোর মধ্যে করতে হবে।
১১) মহাদেবকে বেলগাছের ফুল (সুগন্ধি বেল ফুল নয়) অর্পণ করুন। বেলগাছের ফুল শিবের খুব প্রিয়।
*মাঘীপূর্ণিমার বিশেষ remedy*
মাঘী পূর্ণীমা লাগছে 11 ই ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যে 6.58 মিনিটে এবং ছেড়ে যাবে 12 ই ফেব্রুয়ারি 7.09 মিনিটে।
এটি ভীষণ পবিত্র একটি দিন।এই দিন ভগবান বিষ্ণু নিজে আসেন মর্ত্যলোকে ভক্তের কাছ থেকে পূজা গ্রহণ করতে এবং ভক্তের মনোবাঞ্ছা পূরণে।।কিন্তু কি উপায়ে পুজো করবেন?কি উপায়ে তুষ্ট হবেন নারায়ণ?
মাঘী পূর্ণিমার দিন গঙ্গা স্নান অতি শুভ মানা হয়।।এই দিন অনেকে মহাকুম্ভে স্নান করবেন ।।কিন্তু যারা কুম্ভে যেতে পারছেন না তারা কি করবেন? বাড়িতেই স্নান করুন তবে সঠিক নিয়মে স্নান এর জলে একটু হলুদ , সিদুর এবং একটু হিমালয়ান Pink salt(বাস্তু সল্ট) মেশান।তারপর জলে একটু ওঁ আঁকুন।তারপর স্নান করুন।এই দিন হলুদ/লাল বস্ত্র পড়ুন।স্নানের শুভ সময় ৬.২৪ মিনিট থেকে ৭.৪৫
অবধি।।এর পর সূর্য প্রণাম অবশ্যই করুন।
এই দিন নিজে পূজো করুন ।২৮ টি নিখুঁত তুলসী পাতা(বৃন্ত যুক্ত) প্রতিটি সাদা চন্দনে ডুবিয়ে সাদা সুতো দিয়ে একটু মালা গাথুন।।শ্রী বিষ্ণুর মূর্তি, ছবি তে পরিয়ে দিন।এবং আপনার মনোবাঞ্ছা জানান শ্রী ভগবান কে এবং একটি মন্ত্র পাঠ করুন।।": ওঁ কৃষ্ণায় বাসুদেবায় হরয়ে পরমাত্মনে, প্রণত ক্লেশনাশায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।।"
*এই দিন কি কি আর করণীয়*
১ .মা লক্ষীর পূজা করবেন।।
২.নিরামিষ আহার করবেন।।
৩.এই দিন ঝগড়া বিবাদ এড়িয়ে চলুন।
৪.এই দিন দরিদ্র মানুষকে কিছু দান করা ভীষণ শুভ।
৫.কোনো পশুকে দুধ খাওয়ালে চন্দ্রের দোষ কাটে
৬.সন্ধ্যে বেলায় ঠাকুর ঘরে একটি ঘী এর বাতি অবশ্যই জ্বালুন।এতে বাড়ির সমৃদ্ধি বৃদ্ধি হয় ।
৭.এই দিন চন্দ্র দেবও বিশেষ কৃপা করে থাকেন।চন্দ্রের উদ্দেশ্যে চাঁদের আলোয় পায়েশ/ক্ষীর দান করুন।(রূপর পাত্র হলে ভালো)
৮. পোড়া জাতীয় খাবার (রুটি) এই দিন খাবেন না বা কোনো পশুকে খাওয়াবেন না।।
সূর্য এবং বৃহস্পতি শুভ নবপঞ্চম যোগ তৈরি করেছে। এই বিশেষ ফলদায়ক যোগ তখন তৈরি হয়, যখন সূর্য নবম ঘরে এবং গুরু বৃহস্পতি পঞ্চম ঘরে থাকে। অর্থাৎ একে অপরের ১২০° তে অবস্থান করে।এই সময় সকালে সূর্যাঘ্য ও গুরু বন্দনা করলে সকল রাশিরই সর্ব ক্ষেত্রে শুভ পরিবর্তন হবে।
১. ওঁ জ্বালা নরসিংহায় নমঃ –
২. ওঁ পাবন নরসিংহায় নমঃ -
৩. ওঁ অহোবিলা নরসিংহায়
৪. ওঁ মালোলা নরসিংহায় নমঃ-
৫. ওঁ যোগানন্দ নরসিংহায় নমঃ
৬. ওঁ ভার্গব নরসিংহায় নমঃ-
৭. ওঁ করঞ্জা নরসিংহায় নমঃ -
৮. ও ছত্রবটা নরসিংহায় নমঃ -
৯. ওঁ বরাহ নরসিংহায় নমঃ –
১০) ঔ৺ মৎস নরসিংহায় নমঃ
১১) ঔ৺ শ্রী রাম নরসিংহায় নমঃ
১২) ঔ৺ পরশুরাম নরসিংহায় নমঃ
আশ্চর্য ষড়াষ্টক যোগ! মঙ্গল, বুধের কৃপায় কন্যা সহ ৩ লাকি রাশি কী পাবে? ও মঙ্গল তৈরি করতে চলেছেন শুভ ষড়াষ্টক যোগ। মঙ্গল হলেন, সাহস, উদ্দীপনা, ভূমি ইত্যাদির কারক। আর বুধ হলেন বুদ্ধির নেপথ্য নায়ক। এই দুই গ্রহের চলনে বহু রাশির জাতক জাতিকার জীবনে আসে নানান রকমের সুখ স্বাচ্ছন্দ্য। এবার মঙ্গল ও বুধ তৈরি করবেন ষড়াষ্টক যোগ। এই যোগের ফলে মঙ্গল আর বুধ, একে অপরের ১৫০ ডিগ্রি কোণে অবস্থান করবেন। তার প্রভাব সব রাশিতে পড়বে। প্রসঙ্গত, রাত পোহালেই ষড়াষ্টক যোগ হতে চলেছে। ৮ জানুয়ারি, ২০২৫ সালে ভোর ৫ টা ৫৫ মিনিটে মঙ্গল আর বুধ একে অপরের সঙ্গে ১৫০ ডিগ্রি অবস্থানে থাকবেন। তারফলে কারা কারা লাকি হবেন দেখে নিন।
গুহ্যকালীর ধ্যান
মহামেঘপ্রভাং দেবীং কৃষ্ণবস্ত্রপিধায়িনীম্ ।
ললজ্জিহ্বাং ঘোরদংষ্ট্রাং কোটরাক্ষীং হসন্মুখীম্ ।
নাগহারলতোপেতাং চন্দ্রাৰ্দ্ধকৃতশেখরাম্ ।
দ্ব্যাং লিখন্তীং জটামেকাং লেলিহানাসবং স্বয়ম্ ।
নাগযজ্ঞোপবীতাঙ্গীং নাগশয্যানিষেদুষীম্ ।
পঞ্চাশন্মুণ্ডসংযুক্ত-বনমালাং মহোদরীম্।
সহস্রফণসংযুক্তমনন্তং শিরসোপরি।
চতুর্দ্দিক্ষু নাগফণাবেষ্টিতাং গুহ্যকালিকাম্ ।
তক্ষকসর্পরাজেন বামকঙ্কণভূষিতাম্।
অনন্তনাগরাজেন কৃতদক্ষিণকঙ্কণাম্ ৷
নাগেন রসনাহারকল্পিতাং রত্ননূপুরাম্ ।
বামে শিবস্বরূপন্তৎ কল্পিতং বৎসরূপকম্ ৷
দ্বিভুজাং চিন্তয়েদ্দেবীং নাগযজ্ঞোপবীতিনীম্
নরদেহসমাবদ্ধকুণ্ডলশ্রুতিমণ্ডিতাম্ ।
প্রসন্নবদনাং সৌম্যাং নবরত্নবিভূষিতাম্ ।
নারদাদ্যৈর্মুনিগণৈঃ সেবিতাং শিবমোহিনীম্ ৷
অট্টহাসাং মহাভীমাং সাধকাভীষ্টদায়িনীম্
চার গ্ৰহের মেগা ট্রানসিটে জানুয়ারি ২০২৫ এ তিনটি রাশির কপাল খুলবে।
২০২৫ সালে নতুন বছরের শুরুতেই,৪ গ্রহের রাশি পরিবর্তন হবে। এই গোচরের শুরুটা ৪ জানুয়ারি থেকে হবে। যখন গ্রহের রাজকুমার হিসাবে পরিচিত বুধ ধনু রাশিতে প্রবেশ করবে এবং বুধাদিত্য রাজযোগ তৈরি করবে। এটি ১৪ জানুয়ারি মকর রাশিতে প্রবেশ করবে, যা মকর সংক্রান্তি চিহ্নিত হয়। তারপর, এক সপ্তাহ পরে, ২১ জানুয়ারি, গ্রহের সেনাপতি অর্থাৎ মঙ্গল মিথুনে প্রবেশ করবে। ২৪ শে জানুয়ারি, বুধ দ্বিতীয়বার ট্রানজিট করবে এবং সূর্য দেবতার সাথে মকর রাশিতেও আসবে। এর সাথে আবার বুধাদিত্য রাজযোগ গঠিত
এটি ১৪ জানুয়ারি মকর রাশিতে প্রবেশ করবে, যা মকর সংক্রান্তি চিহ্নিত হয়। তারপর, এক সপ্তাহ পরে, ২১ জানুয়ারি, গ্রহের সেনাপতি অর্থাৎ মঙ্গল মিথুনে প্রবেশ করবে। ২৪ শে জানুয়ারি, বুধ দ্বিতীয়বার ট্রানজিট করবে এবং সূর্য দেবতার সাথে মকর রাশিতেও আসবে। এর সাথে আবার বুধাদিত্য রাজযোগ গঠিত হবে।
তুলা:
এই রাশির জাতকরা জানুয়ারি মাসে ভাগ্যের পূর্ণ সমর্থন পাবেন। তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হতে পারে। আপনার আর্থিক সমস্যা কমতে শুরু করবে। ব্যাচেলরদের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব আসতে পারে। আপনি পুরানো বিনিয়োগ থেকে অপ্রত্যাশিত আর্থিক লাভ পেতে পারেন। আপনার অমীমাংসিত কাজ এগিয়ে যেতে পারে।
মকর:
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ৪টি গ্রহের গতি পরিবর্তন আপনার জন্য খুব উপকারী প্রমাণিত হতে চলেছে। বিবাহিতদের জীবনে সুখ আসবে। আপনি আপনার পরিবারের সাথে কিছু রোমান্টিক জায়গায় যেতে পারেন। পৈতৃক সম্পত্তি পেতে পারেন। এটি আপনার ব্যবসা প্রসারিত করার সঠিক সময় হবে। কর্মরত ব্যক্তিরা কর্মক্ষেত্রে নতুন দায়িত্ব পেতে পারেন।
মেষ :
বছরের প্রথম মাসে ৪টি শক্তিশালী গ্রহের স্থানান্তর আপনার রাশির জন্য খুব ভাগ্যবান প্রমাণ হতে চলেছে। জানুয়ারি থেকে আপনার জন্য আয়ের নতুন উত্স খুলতে পারে, যা আপনাকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করবে। আপনি একটি নতুন প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেন। আপনি পিএফ বা বীমা টাকা পেতে পারেন। আপনি একটি নতুন গাড়ী কিনতে পারেন।
আচার্য্য কুশ মুখার্জি
7001608953/9233172388